রিলিতে লেক। প্রায় ১৮২৫ ফুট উচ্চতার এই লেকই দেশের সবচেয়ে উচু স্থানে।

ভৌগলিক ভাবে বাংলাদেশের অবস্থানটাই এমন যে, প্রকৃতির সমস্ত টুকু সুখ এখানে ঢেলে দিয়েছে। এই ছোট্ট দেশে কি নেই ? পাহাড়, সমুদ্র, নদী, ঝর্ণা, বন,ঐতিহাসিক স্থাপনা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্টি এর সবই রয়েছে বাংলাদেশে। প্রতিদিন দেশের অভ্যন্তরে নতুন নতুন জায়গার খোঁজ আসছে। নতুস সেই সব জায়গা সম্পর্কে উঠে আসছে দারুণ দারুণ তথ্য।

সঠিক ব্যবস্থাপনা আর পৃষ্ঠপোষকতা পেলে অসংখ্য মানুষের অন্যতম জীবিকার উৎস হতো বাংলাদেশের এই ভৌগলিক উপহার বা ট্যুরিজম।

বর্তমানে ভ্রমন প্রিয় মানুষের কাছে সবচেয়ে আরাধ্য বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল। চোখ জুড়িয়ে পাহাড় দেখতে চাইলে যেতে হবে এই পার্বত্য জেলায়। বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় যতো প্রাকৃতিক দৃশ্য আছে তা দেখতে একজন ট্রাভেলারের কয়েক বছর লেগে যাবে। তবুও তা দেখে শেষ করা সম্ভব নয়।  

 “Travel 360 Degree.র আজকে আলোচনা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার প্রাকৃতিক লেক নিয়ে……

রিলিতে লেক

প্রমিত উচ্চতাঃ১৮২৫-৮০ফুট

গভীরতাঃসঠিক ভাবে মাপা হয়নি,তবে মাঝ অংশে ১০০+/- ফুট।

অবস্থানঃ ৪ নং বড়থলী ইউনিয়ন,বিলাইছড়ি,রাংগামাটি।

যাতায়াতঃ বান্দরবান এর রুমা উপজেলা থেকে পায়ে হাটা পথে,

  • ১.রুমাখাল-বগামুখপাড়া-এনুপাড়া-পুকুরপাড়া-
  • প্রাঞ্জনপাড়া-চার্চিংপাড়া হয়ে এই লেকে পৌছানো সম্ভব।
  • ২.রুমা থেকে জিপে করে বগালেক হয়ে,আনন্দপাড়া-এনুপাড়া পর্যন্ত জিপে গিয়ে বাকিটুকু পায়ে হেটে।
  • ৩.থাঞ্চি থেকে বাক্তলাইপাড়া জিপে-থাইক্যাং পাড়া-সুনসানপাড়া-শেপ্রুপাড়া-রিলিতে লেক।
  • ৪.বগালেক-কেওকারাডং-থাইক্যাংপাড়া-রুমানা পাড়া(শীতকালে জিপে)-চার্চিংপাড়া-রিলিতে লেক।

মোটকথা,অনেক উপায়ে পৌছানো সম্ভব,কিন্তু প্রশাসনিক অনুমতি সাপেক্ষে।

বাংলাদেশে এরচেয়ে অধিক উচ্চতায় অবস্থিত প্রাকৃতিক লেক,এখন অবদি আবিষ্কৃত হয় নি,নিঃসন্দেহে প্রায় ৩-৪একর জায়গা নিয়ে এর অবস্থান চমৎকার এই পুকুরের অবস্থান প্রাকৃতিক শেওলা,ফার্ন,শালুক এর প্রাচুর্যে ভরপুর এই মিঠাপানির লেক,বৃষ্টির জমাট জল ই এর প্রধান জলের উৎস।

এই লেকে,মাগুর মাছ,কালবাউশ,চিংড়ি ও স্থানীয় দের ছাড়া তেলাপিয়া মাছ ও পাওয়া যায়।

খুব কম মানুষের সৌভাগ্য হয়েছে এর সম্পর্কে জানা ও বাস্তবে দেখার।পুর্বে এর পাশে বিজিবি ক্যাম্প ছিলো,এখন পরিত্যক্ত।

Leave A Comment