সাজেকে মেঘের ভেলায় চড়তে যাবেন আর চাঁন্দের গাড়ির খোঁজ রাখবেন না তাকি হয় ??

সাজেক কাউন্টার, খাগড়াছড়ি। যারা বিশেষ করে সাজেকে বেড়াতে গিয়েছেন তারা এই কাউন্টার খুব ভালো করেই চেনেন। সাজেকে যেতে চাঁন্দের গাড়ির বিকল্প নেই। কাজেই এই কাউন্টার না চেনারো কোন উপায় নেই। তবে আমরা কয়জন জানি গাড়ি গুলোর ভাড়া কেমন বা কতো টাকায় তারা আপনাকে সাজেক ঘুরিয়ে নিয়ে আসবে ??

প্রথম কথা হলো, প্রতিটি গাড়ি আপনাকে রিজার্ভ করতে হবে। হোক তা দশ জন বা এক জন। চাইলে আপনি অন্য ট্যুরিস্টদের ম্যানেজ করে গাড়ি রিজার্ভ করতে পারবেন। আসুন জেনে নেই সাজেকের চাঁন্দের গাড়ি রিজার্ভ করার সিস্টেমটা জেনে নেই।খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার।

খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর থেকে মাহিন্দ্রা বা চান্দের গাড়ি রিজার্ভ নিয়ে সাজেক ভ্যালি ঘুরে আসতে পারবেন। এক গাড়িতে করে ১২-১৪ জন যেতে পারবেন। তবে লোক কম থাকলে অন্য কোনো ছোট গ্রুপের সঙ্গে কথা বলে শেয়ার করে গাড়ি নিলে খরচ কম হবে। সম্প্রতি খাগড়াছড়ি জীপ মালিক সমিতি নির্ধারণ করেছে মাহিন্দ্রা ও চান্দের গাড়ি ভাড়া।

* খাগড়াছড়ি হতে সাজেক একদিনে আসা-যাওয়া: চান্দের গাড়ি ৫,১০০ ও মাহিন্দ্রা ৫,৪০০ টাকা।

* খাগড়াছড়ি হতে সাজেক ১ রাত্রিযাপন: চান্দের গাড়ি ৬,৬০০ ও মাহিন্দ্রা ৭,৭০০ টাকা।

* খাগড়াছড়ি হতে সাজেক ১ রাত্রিযাপন (আলুটিলা রিচাং ঝরনাসহ): চান্দের গাড়ি ৮,১০০ ও মাহিন্দ্রা ৯,৭০০ টাকা।

* খাগড়াছড়ি হতে সাজেক ২ রাত্রিযাপন: চান্দের গাড়ি ৮,৬০০ ও মাহিন্দ্রা ১০,৫০০ টাকা।

* খাগড়াছড়ি হতে সাজেক ২ রাত্রিযাপন (আলুটিলা রিচাং, ঝরনাসহ): চান্দের গাড়ি ১০,৫০০ ও মাহিন্দ্রা ১২,৫০০ টাকা।সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং পুলিশ প্রশাসন পর্যটন কেন্দ্রটিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় দিন দিন বাড়ছে পর্যটক সংখ্যা। আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, শীতকালে দীঘিনালা থেকে সেনাবাহিনীর এসকোর্ট শুরু হবে সকাল ৯ টা থেকে ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে। তাই ওই সময়ের আগেই আপনাকে পৌঁছে যেতে হবে খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালায়। সকালের এসকোর্ট মিস করলে অপেক্ষা করতে হবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এসকোর্ট ছাড়া যাবার অনুমতি পাবেন না।

Leave A Comment